প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৪৯ পয়সা লোকসান হয়েছে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৭ পয়সা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির লোকসান বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। বিক্রি কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যয় বাড়ার প্রভাবে লোকসান বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির কর্মকর্তারা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ারপ্রতি ৫৯ পয়সা লোকসান হয়েছে, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৯ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫৬ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২২ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৮ পয়সা। ওই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৪ টাকা ১২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৮১ পয়সা।
গতকাল ডিএসইতে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ার সর্বশেষ ১১ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৮ টাকা ২০ থেকে ২২ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
১৯৯০ সালে তালিকাভুক্ত বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২৭ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২০৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ৭৫ হাজার ২৫০টি। এর মধ্যে ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৬ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ বিদেশী ও ৬৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।